বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬Loginপ্রচ্ছদআয়োজনদূর পরবাসসফলতাপাঠকসংস্কৃতিভ্রমণছবি দূর পরবাসকানাডায় গত দুই মাসে ১ লাখ ১০ হাজার মানুষ বেকার হয়ে গেছেমোহাম্মদ সাকিবুর রহমান খান , কানাডা থেকেপ্রকাশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৯: ৪৯ অফিসে এক কর্মী কাজ করছেন। তবে ২০২৬ সালের আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে কানাডায় মোট ১ লাখ ১০ হাজার কর্মসংস্থান কমেছে।ফাইল ছবিকানাডার শ্রমবাজারে টানা দুই মাসের পতনে বছরের শুরুতে তৈরি হওয়া কর্মসংস্থানের সব প্রবৃদ্ধি মুছে গেছে। ২০২৬ সালের আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে দেশটিতে মোট ১ লাখ ১০ হাজার কর্মসংস্থান কমেছে। এর মধ্যে সেপ্টেম্বরে কমেছে ৬৮ হাজার ৩০০টি এবং আগস্টে ৪১ হাজার ৭০০টি। চাকরির বাজারের এই দুর্বলতা দেশটির অর্থনীতি, তরুণ চাকরিপ্রার্থী ও নতুন অভিবাসীদের জন্য নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর ২০২৬) কানাডার সরকারি পরিসংখ্যান সংস্থা স্ট্যাটিস্টিকস কানাডার প্রকাশিত শ্রমবাজারের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেপ্টেম্বরে দেশটির বেকারত্বের হার বেড়ে ৬ দশমিক ৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। আগস্টে এ হার ছিল ৬ দশমিক ৪ শতাংশ।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কানাডার অর্থনীতিবিদেরা সেপ্টেম্বরে ৯ হাজার ২০০টি নতুন কর্মসংস্থান তৈরির প্রত্যাশা করেছিলেন। কিন্তু বাস্তবে কর্মসংস্থান বেড়ে যাওয়ার পরিবর্তে উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কানাডায় নিট ৪১ হাজার ২০০টি কর্মসংস্থান কমেছে। অথচ ২০২৫ সালের একই সময়ে ২ লাখ ১১ হাজার ৩০০টি কর্মসংস্থান বেড়েছিল।
সেপ্টেম্বরে কানাডার সরকারি খাতে কর্মীর সংখ্যা কমেছে ৭০ হাজার। এ নিয়ে টানা চার মাস সরকারি খাতে কর্মসংস্থান কমল। গত এক বছরে এ খাতে কর্মীর সংখ্যা কমেছে ১ লাখ ১৯ হাজার।
শিক্ষা খাতে সেপ্টেম্বরে ৩৫ হাজার কর্মসংস্থান কমেছে। স্বাস্থ্যসেবা ও সামাজিক সহায়তা খাতে কমেছে আরও ২৩ হাজার। তবে স্বাস্থ্যসেবা খাতে এক মাসে কর্মসংস্থান কমলেও গত বছরের সেপ্টেম্বরের তুলনায় এ খাতে কর্মীর সংখ্যা এখনো বেশি রয়েছে।
উৎপাদন খাতেও দুর্বলতা দেখা গেছে। সেপ্টেম্বরে এ খাতে ১২ হাজার ৭০০টি কর্মসংস্থান কমেছে। যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কনীতি এবং দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক নিয়ে অনিশ্চয়তা কানাডার শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বাড়তি চাপ তৈরি করেছে। তবে সাম্প্রতিক কর্মসংস্থান হ্রাসের পুরোটা মার্কিন শুল্কের কারণে হয়েছে, এমন প্রমাণ এখনো নেই।