সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬Loginপ্রচ্ছদআয়োজনদূর পরবাসসফলতাপাঠকসংস্কৃতিভ্রমণছবি দূর পরবাসকানাডার আলবার্টায় গণভোট, হ্যাঁ জিতলে স্বাধীনতার দিকে এক ধাপ এগিয়ে যাবেমোহাম্মদ সাকিবুর রহমান খান কানাডা থেকেপ্রকাশ: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪: ৪২ কানাডাঅভিবাসননীতি ও প্রাদেশিক ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি কানাডা থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার প্রশ্নেও মত দেবেন ভোটাররা আজ ১৯ অক্টোবর।
মোট ১০টি প্রশ্নের এই গণভোটে অভিবাসননীতি, সরকারি স্বাস্থ্যসেবা ও সামাজিক সুবিধা, নির্বাচনে ভোট দেওয়ার যোগ্যতা এবং প্রাদেশিক ক্ষমতা বাড়ানোর মতো বিষয় রয়েছে। সবচেয়ে আলোচিত প্রশ্নটি হলো, আলবার্টা কানাডার প্রদেশ হিসেবে থাকবে, নাকি কানাডা থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার বিষয়ে ভবিষ্যতে একটি বাধ্যতামূলক গণভোট আয়োজনের আইনি প্রক্রিয়া শুরু করবে।
গণভোটের আগে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি, ফেডারেল কনজারভেটিভ পার্টির নেতা পিয়েরে পয়লিয়েভ এবং আলবার্টার প্রিমিয়ার ড্যানিয়েল স্মিথ—তিনজনই আলবার্টাকে কানাডার অংশ হিসেবে রাখার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তবে অভিবাসন ও সাংবিধানিক ক্ষমতা নিয়ে গণভোটের অন্য প্রশ্নগুলোতে তাঁদের অবস্থান এক নয়।
প্রধানমন্ত্রী কার্নির আহ্বান: কানাডা ঐক্যবদ্ধ থাকলে শক্তিশালী হবে
প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি আলবার্টার বাসিন্দাদের কানাডার সঙ্গে থাকার পক্ষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। গত ১২ অক্টোবর কানাডার থ্যাংকসগিভিং উপলক্ষে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, আলবার্টার বাসিন্দাদের সামনে নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ এসেছে। কানাডার অংশ হিসেবে থাকা অথবা বিচ্ছিন্নতার দীর্ঘ ও অনিশ্চিত প্রক্রিয়া শুরু করার মধ্যে তাঁদের বেছে নিতে হবে।
আলবার্টায় বেড়ে ওঠা কার্নি বলেন, কানাডার বিভিন্ন প্রদেশকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। আলবার্টার জ্বালানি খাত এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য নতুন প্রকল্প ও পশ্চিম উপকূলে পাইপলাইন নির্মাণের উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, বিভক্তি তৈরি হলে বড় অর্থনৈতিক প্রকল্প বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে পড়বে।