পাবনা অফিস, গাজীপুর ও আশুগঞ্জ (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে সাত বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত জাহিদুল ইসলাম জাহিদকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে এলাকাবাসী। গত শুক্রবার দুপুরে উপজেলার তালশহর ইউনিয়নের আন্দিরদিল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আটক জাহিদ ওই গ্রামের মৃত শাহ আলমের ছেলে এবং পেশায় রাজমিস্ত্রি। নিহত শিশুটি স্থানীয় একটি মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের ছাত্রী এবং অভিযুক্ত জাহিদের চাচাতো ভাইয়ের মেয়ে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার দুপুরে জাহিদ শিশুটিকে পাশের একটি ঘরে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে। শিশুটি কাঁদতে শুরু করলে তার মুখে বালিশচাপা দিয়ে ও গলাটিপে হত্যা করে। এরপর চাদর দিয়ে শিশুটিকে ঢেকে রেখে ঘর থেকে বের হয়ে যায়। পরে স্বজনরা খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে ওই ঘরের সামনে শিশুটির জুতা দেখে ভেতরে ঢুকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পায়। তাকে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এই খবর ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী জাহিদকে ধরে একটি কক্ষে আটকে রাখে। সেখানে সে উপস্থিত লোকজনের কাছে অপরাধ স্বীকার করে। খবর পেয়ে আশুগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে উত্তেজিত জনতা অভিযুক্তের ফাঁসির দাবিতে বাড়িটি ঘিরে ধরে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ এসে বিকেল ৫টার দিকে জাহিদকে থানায় নিয়ে যায়।

আশুগঞ্জ থানায় ওসি একেএম শফিকুল আলম জানান, পুলিশ অভিযুক্তকে হেফাজতে নিয়েছে। ভুক্তভোগীর মরদেহের ময়নাতদন্ত প্রক্রিয়াধীন। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।