মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬Loginপ্রচ্ছদআয়োজনদূর পরবাসসফলতাপাঠকসংস্কৃতিভ্রমণছবি পাঠকআমরা কি আপস করতে করতেই মারা যাব?লেখা: কাজী মনজুর করিম মিতুলপ্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৪: ২৭ ফাইল ছবিগত এক সপ্তাহ আমার গাড়িচালক ছুটিতে ছিল এবং ঢাকার রাস্তায় প্রতিদিন উত্তরা-গুলশান-উত্তরা রুটে দুই বেলা গাড়ি চালিয়ে আমার নতুন কিছু উপলব্ধি হলো। এখানে শেয়ার করছি এই আশায়, যদি কোনো কর্তাব্যক্তির নজরে পড়ে এবং Innovation-এ বিশ্বাসী হলে তিনি বিষয়টি আমলে নেবেন।

১. ঢাকা-গাজীপুর রুটের বিআরটি প্রকল্পটি ব্যর্থ হলেও এর সুফল ভোগ করছেন অনেকেই। মোটামুটি নির্বিঘ্নে চলাচল করা যায় এই অংশে। কিন্তু রাস্তায় লেন ডিভাইডার বা মার্কিং নেই। অনেকেই (যাঁরা নতুন) ভুল করে ডানের লেনে চলে যান, যেটা এই রাস্তার জন্য Wrong Way!

কোথাও কোথাও কি অন্তত একটা করে রোড সাইন দেওয়া যেত না?

২. রাতে ড্রাইভ করার সময় চোখে তীব্র আলো এসে লাগে বিপরীত দিক থেকে আসা SUV গাড়ি / বাস/ ট্রাকের (যাদের হেডলাইট সেডানের তুলনায় বেশ উঁচুতে) হেডলাইটের কারণে। এককালে সরকার হেড লাইটের কপাল বরাবর কালো রং বা টেপ দেওয়া বাধ্যতামূলক করেছিল। কালের আবর্তে সেই Bulb থেকে এখন LED লাইট এসেছে—আর আলোর তীব্রতা অসহনীয় মাত্রায় বেড়েছে। এটা নিয়ে বিআরটিএ উদাসীন কেন?

৩. Bus Bay থাকা সত্ত্বেও বাসগুলো রাস্তার চলমান লেনেই দাঁড়িয়ে থাকে। ট্রাফিক পুলিশের কাজ হলো চাঁদা নিয়ে এসব অনিয়মকে নিয়ম বানাতে সহায়তা করা। যাত্রীরাও চলন্ত বাসে ওঠানামা করতে আগ্রহী। কিন্তু ট্রাফিক পুলিশকে মনিটরিং করার দায়িত্ব কার?

৪. সিগন্যাল না মানলে ড্রাইভার বা গাড়ির মালিককে জরিমানা করা হয়। আজকাল ডেঙ্গু মশার মতো বংশবিস্তার করছে অটোরিকশা। তারা কোনো সিগন্যালের তোয়াক্কা করে না। সম্ভবত, তাদের মালিক সমিতি মাসিক চুক্তিতে চলে এসেছে স্থানীয় ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে। কাজেই তারা ক্রমেই বেয়াদব/বেপরোয়া থেকে ‘উন্নীত’ হয়ে সহজাত অপরাধীর পর্যায়ে চলে গেছে। এদের যারা নিয়ন্ত্রণ করবে, তাদের নিয়ন্ত্রণ করবে কে?