Loginসর্বশেষবাংলাদেশরাজনীতিবিশ্ববাণিজ্যমতামতখেলাবিনোদনচাকরিজীবনযাপনভিডিওখুঁজুনই-পেপারEngLogin বিশ্ব চলচ্চিত্রঅ্যাকশনে ভরপুর এই ১০ থাই সিনেমা দেখেছেন কিবিনোদন ডেস্ক প্রকাশ: ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০১: ০০ সেরা ১০ থাই মার্শাল আর্ট অ্যাকশন সিনেমা কোনগুলো? কোলাজদেশি দর্শকের কাছে কোরীয়, চীনা, মালয়েশিয়ান বা ইন্দোনেশিয়ান সিনেমা কয়েক বছর ধরেই জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। ওটিটির প্রসারের কারণে যুক্ত হয়েছে থাই সিনেমাও। টনি জা, পানা রিত্তিকরাই, জিজা ইয়ানিন—তাঁদের হাত ধরেই বিশ্বজুড়ে নতুন পরিচয় পেয়েছিল থাইল্যান্ডের অ্যাকশন সিনেমা। নেটফ্লিক্সে মুক্তির পর থেকেই আলোচনায় থাই অ্যাকশন ছবি ‘দ্য ডেবট কালেক্টর’। দুর্দান্ত মারপিট, দ্রুতগতির অ্যাকশন, বাস্তবধর্মী স্টান্ট আর মুয়াই থাইয়ের নির্মম লড়াইয়ের দৃশ্য ছবিটিকে অল্প সময়েই দর্শকদের নজরে নিয়ে এসেছে। নতুন প্রজন্মের অনেক দর্শকও এই ছবির মাধ্যমে আবার আবিষ্কার করছেন থাইল্যান্ডের অ্যাকশন সিনেমার আলাদা এক জগৎ। সম্প্রতি নেটফ্লিক্সে মুক্তি পাওয়া ‘দ্য ডেবট কালেক্টর’ বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। প্ল্যাটফর্মটির গ্লোবাল টপ চার্টেও জায়গা করে নিয়েছিল সিনেমাটি। দেশি দর্শকের কাছে টিভির সুবাদের আগে থাই সিনেমার মধ্যে আগে কেবল ‘ওং ব্যাক’ ফ্র্যাঞ্চাইজির সিনেমাগুলোই বেশি পরিচিত ছিল। সেখানে এখন যুক্ত হয়েছে নতুন নতুন নাম। সেরা ১০ থাই মার্শাল আর্ট অ্যাকশন সিনেমা কোনগুলো? কোন সিনেমা দেখতে বসলে ‘পয়সা উশুল’ হবে? চলুন জেনে নেওয়া যাক—

‘ব্যাংকক অ্যাড্রেনালিন’ সিনেমার পোস্টার। আইএমডিবিগল্পের শুরুটা খুবই সাধারণ। কয়েকজন পশ্চিমা তরুণ ব্যাকপ্যাক কাঁধে নিয়ে ঘুরতে আসে ব্যাংককে। কিন্তু ভুল মানুষের সঙ্গে জড়িয়ে পড়তেই তাদের জীবন বদলে যায়। শেষ পর্যন্ত বাঁচতে হলে একের পর এক লড়াই করে বেরিয়ে আসতে হয় বিপদ থেকে।

ছবির কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন ব্রিটিশ উশু শিল্পী ড্যানি ও’নিল। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন পেশাদার রেসলার কোনান স্টিভেন্স, টিম ম্যান ও কাজু প্যাট্রিক ট্যাং। ছবির সবচেয়ে মজার দিক হলো, থাইল্যান্ডের অ্যাকশন সিনেমায় যেন সব সময়ই বিশাল পরিত্যক্ত গুদামঘরের অভাব হয় না। সেই গুদামই মুহূর্তের মধ্যে পরিণত হয় মুয়াই থাই যোদ্ধাদের যুদ্ধক্ষেত্রে। সেখানে উড়ে আসে লাথি, কনুই, অ্যাক্রোবেটিকস—সব মিলিয়ে অ্যাকশনপ্রেমীদের জন্য জমজমাট এক অভিজ্ঞতা তৈরি করে ছবিটি।

গল্পে নতুনত্ব কম থাকলেও দ্রুতগতির অ্যাকশন আর চমৎকার ফাইট কোরিওগ্রাফির কারণে আজও ছবিটি থাই অ্যাকশন সিনেমার উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হয়।

‘রেজিং ফিনিক্স’ সিনেমার দৃশ্য। আইএমডিবিবাস্তবের মার্শাল আর্টের সঙ্গে কল্পনার মিশেল ঘটিয়ে একেবারে নতুন যুদ্ধকৌশল তৈরি করার সাহস খুব কম নির্মাতাই দেখান। সেই কাজই করেছে ‘রেজিং ফিনিক্স’। ছবিতে দেখানো হয়েছে, থাইল্যান্ডের ইতিহাসের কোনো এক সময়ে মুয়াই থাই, ড্রাঙ্কেন ফিস্ট এবং ক্যাপোইরা মিলিয়ে জন্ম নিয়েছিল এক কাল্পনিক যুদ্ধশৈলী—‘মেইরাইইউথ’।

বাস্তবে এমন কোনো মার্শাল আর্টের অস্তিত্ব নেই। কিন্তু পর্দায় জিজা ইয়ানিন ও কাজু প্যাট্রিক ট্যাং যেভাবে এই যুদ্ধকৌশল ব্যবহার করেছেন, তা এতটাই বিশ্বাসযোগ্য যে দর্শকের মনে প্রশ্ন জাগে—ইতিহাসের বই বিশ্বাস করবেন, নাকি নিজের চোখ? নৃত্যের ছন্দ, মাতাল মানুষের ভারসাম্যহীন চলাফেরা আর মুয়াই থাইয়ের বিস্ফোরক আঘাত—সব মিলিয়ে ছবির অ্যাকশন একেবারেই আলাদা স্বাদ এনে দেয়। জিজা ইয়ানিনের গতি, নমনীয়তা এবং নিখুঁত কোরিওগ্রাফি ছবিটিকে থাই অ্যাকশন সিনেমার অন্যতম ব্যতিক্রমী উদাহরণে পরিণত করেছে।