বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬Loginপ্রচ্ছদআয়োজনদূর পরবাসসফলতাপাঠকসংস্কৃতিভ্রমণছবি পাঠকঅটললেখা: বাপি সাহা, খুলনাপ্রকাশ: ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৬: ৫৬ আমার মা খুব শিক্ষিত ছিলেন না, কিন্তু সচেতন ছিলেন—এই কথাটি বলে লেখা শুরু করছি। গল্পটি অনেক আগের, তখন আমি মাত্র কলেজে উঠেছি। পড়াশোনা নিয়ে বেশ চাপের মধ্যে থাকতেই হয়। খুলনা সেন্ট জোসেফসের ছাত্র হিসেবে সব সময় প্রস্তুত থাকতে হতো সব ধরনের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য। প্রতিদিনের হোমওয়ার্ক তো আছেই। ছাত্র হিসেবে মেধাবী ছিলাম না; কিন্তু চেষ্টা করেছি একটু ভালো করার। বিদ্যালয় থেকে মহাবিদ্যালয়ে প্রবেশ করে নতুন এক জগতের সঙ্গে পরিচয় হলো। ছোটবেলা থেকে পত্রিকা পড়ার শখ। বিকেলে প্রাইভেট শেষ করে ঢুকে যেতাম বাসার কাছে উমেশচন্দ্র পাবলিক লাইব্রেরিতে। পুরো পত্রিকা পাওয়া যেন ছিল ভাগ্যের ব্যাপার। হয়তো কখনো প্রথম পাতা পেতাম, আবার কখনো মাঝের পৃষ্ঠা, অপেক্ষা করে খুঁজে আনতে হতো বাকি অংশ।
শুধু পত্রিকা প্রকাশনার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে তৃণমূল পর্যায়ের প্রতিভা বিকাশে প্রথম আলো কাজ করে চলেছে অবিরাম। বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক কর্মসূচির মধ্য দিয়ে সমাজে লুকিয়ে থাকা প্রতিভা বিকাশে কাজ করে চলেছে প্রথম আলো। যেমন ১. ডাচ্
লেখাটি আর দীর্ঘ করব না আমার দেশের নারী ফুটবলারদের উৎসাহ প্রদানের উদ্দেশ্যে যে উদ্যোগ তারা গ্রহণ করেছে; সেটি কিন্তু কম নয়। আমার মায়ের কথাটি দিয়ে এই লেখাটি সমাপ্ত করতে চাই। একদিন যদি প্রথম আলো না পান, তখন বকা থাকে আমার প্রাপ্তি। মায়ের কথাটি দিয়ে শুরু করেছিলাম আর মায়ের কথাটি দিয়ে সমাপ্ত করতে চাইছি।
যুদ্ধক্ষেত্রে অন্ধকার রাতে বাতি জ্বালিয়ে ‘ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল’ আহত যোদ্ধাদের খুঁজে বেড়াতেন সেবা প্রদানের উদ্দেশ্যে। প্রথম আলো সমাজের ক্ষত দূর করার জন্য কাজ করে চলেছে। তুমি আটাশ থেকে শতবর্ষে যেতে পার, সেই কামনায়।